রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সয়াবিনের দাম টনপ্রতি ২ হাজার ডলার ছুঁইছুঁই

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ নানা কারণে বিশ্ববাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে ভোজ্যতেলের দাম। গত তিন মাসে পণ্যটির দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। জানুয়ারিতে সয়াবিনের আমদানি মূল্য ছিল টনপ্রতি ১ হাজার ৪৭০ ডলার। রেকর্ড পরিমাণ দাম বেড়ে মার্চে এটির বুকিং দর টনপ্রতি ১ হাজার ৯৫৭ ডলারে উঠে গেছে। বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের এ উচ্চমূল্যের কারণে দেশের ব্যবসায়ীদের আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলার হার কমতে শুরু করেছে। এতে ঈদের পর দেশে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২০-২২ লাখ টন। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ পাম অয়েল ও ৩৫ শতাংশ সয়াবিন অয়েল। পাম অয়েল আমদানি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে এবং সয়াবিন আমদানি হয় আর্জেন্টিনা থেকে। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভোজ্যতেলের দাম রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছে। সর্বশেষ মার্চে অপরিশোধিত সয়াবিনের টনপ্রতি বুকিং দর ছিল ১ হাজার ৯৫৭ ডলার এবং পাম অয়েলের বুকিং দর ছিল ১ হাজার ৭৭৭ ডলার। এ দামে আমদানির পর কর্মীদের বেতন-ভাতা, পরিবহন, গ্যাস-বিদ্যুৎ খরচ, প্যাকেজিংসহ ব্যাংকঋণের সুদের হিসাবে নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি খরচ অনেক বেশি হয় বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ হয় মূলত মজুদ, এলসিসহ এক্স-বন্ডের অধীনে থাকা পণ্যের আমদানি মূল্যের বিবেচনায়। ফেব্রুয়ারিতে দেশে নতুন দাম নির্ধারণের সময় সয়াবিনের আমদানি মূল্য ছিল ১ হাজার ৪০৭ ডলার, বর্তমানে যা প্রায় ২ হাজার ডলার ছুঁইছুঁই। এ অবস্থায় অধিকাংশ কোম্পানিই ভোজ্যতেল আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই আমদানিকারকরা লোকসান দিচ্ছেন। সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়ে আমদানির পরিমাণ কমাতে হচ্ছে তাদের। অন্যান্য ভোগ্যপণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও ভোজ্যতেল আমদানিতে ঋণপত্র খুলতে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছেন আমদানিকারকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com